** 'হেবা' ও 'হেবা-বিল-এওয়াজ' কী? ** মুসলিম আইনে দানকে 'হেবা' বলা হয়। যখন কোনো একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি অপর ব্যক্তির কাছে কোনো প্রকার বিনিময় ছাড়াই অবিলম্বে হস্তান্তর করে এবং শেষোক্ত ব্যক্তি বা তার পক্ষে অন্য কেউ সেটি গ্রহণ করে, তখন সেই সম্পত্তির হস্তান্তরকে 'হেবা' বা দান হিসেবে অভিহিত করা হয়। মুসলিম আইন অনুসারে, সুস্থ মনের অধিকারী এবং নাবালক নন- এমন যেকোনো মুসলিমই দান বা হেবা করে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। হেবা বৈধ হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। প্রথমত, দাতা কর্ত ৃক দানের কথা ঘোষণা করতে হয়, দ্বিতীয়ত, দানগ্রহীতা বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সুস্পষ্টভাবে ওই দান গ্রহণ করতে হয় এবং তৃতীয়ত, দাতা কর্তৃক দান গ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল দিতে হয়। সম্পত্তির হস্তান্তর আইন কিংবা মুসলিম আইন- কোনোটিতেই স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দান আইনসিদ্ধ হওয়ার জন্য লিখিত দলিল হওয়া জরুরি নয়। মুসলিম আইনানুসারে, দানকৃত সম্পত্তির দখল দানগ্রহীতাকে অর্পণ করার আগে যেকোনো দাতা দান বাতিল করতে পারেন। কারণ, দখল অর্পণের আগে হেবা বা দান সম্পূর্ণ হয় না। দখল অর্পণের ...
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন ******************************* মুসলিম উত্তরাধিকার আইন কনটেন্টটিতে উত্তরাধিকারের শ্রেণিবিভাগ, প্রাপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ, ত্যাজ্য সন্তানের উত্তরাধিকার, স্বামী-স্ত্রীর প্রাপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন : আকরাম ৪০ বছর বয়সে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল। রেখে গেল বাবা, স্ত্রী রেহানা, দুই ভাই ও এক মেয়ে মিতা। আকরাম কৃষিকাজ করত। তার প্রায় ১০ বিঘা জমি ও বসত বাড়ি ছিল। আকরামের মৃত্যুর পর আকরামের ভাই সাইদ আকরামের স্ত্রী রেহানাকে বলে যে আকরামের সম্পত্তিতে রেহানা ও তার মেয়ে মিতার কোন অধিকার নেই। সাইদ তাদেরকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অসহায় রেহানা কি করবে বুঝতে পারে না। সে তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসে। রেহানার বাবা উত্তরাধিকার আইন সম্পর্কে জানত না। রেহানার বাবা রেহানাকে নিয়ে উকিলের কাছে যান পরামর্শের জন্য। উকিল তাদেরকে উত্তরাধিকার আইন সম্পর্কে অনেক তথ্য দেন। উকিল : মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী আকরামের সম্পত্তিতে রেহানা ও তার মেয়ে মিতার অধিকার আছে। রেহানা : উত্তরাধিকার কি ? *********************** উকিল : কোন নারী বা পুরুষের মৃত্...
শোন এরেস্ট (Shown Arrest) কাকে বলে ? ........................................................... ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫১ অনুযায়ী, গ্রেফতার বা সমন ছাড়া কোন আমল গ্রহণকারী আদালতে উপস্থিত যে কোন ব্যক্তিকে আদালত গ্রেফতার দেখাতে পারেন, যদি সাক্ষ্য প্রমানে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যক্তি আদালতে বিচারাধীন অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট বা এই অপরাধটি সে সংঘটন করেছে। আদালত তার বিরুদ্ধে এমন ভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবেন যেন সে সমন পেয়ে বা গ্রেফতার হয়ে আদালতে উপস্থিত হয়েছে। আদালতের বিচার ব্যবস্থা উন্মুক্ত হওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত অপরাধী ও সন্দেহের বাইরে থেকে আদালতে বিচার দেখতে আসে বা সে এই মামলার বাদী অথবা সাক্ষী ও হতে পারে। যদি তখন আদালতে সাক্ষ্য প্রমানে বুঝা যায় যে সেই প্রকৃত অপরাধী তাহলে আদালত তাকে তাৎক্ষনিক গ্রেফতার দেখাতে পারেন। এইরুপ গ্রেফতার দেখানো কে Shown Arrest বলা হয় । ধারা ৩৫১/২ অনুযায়ী, বিচার শুরু হবার পর এইরুপ আটক হলে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কিত কার্যক্রম নতুন ভাবে আরম্ভ করতে হবে এবং সাক্ষীদের বক্তব্য পুনরায় শুনতে হয় । শিশুদের গ্রেপ্তারে হাতকড়া পরানো যাবেনা ..............
Comments
Post a Comment